উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যেতে আপনার করণীয়
আপনার একাডেমিক রেজাল্টের দিকে নজর দিন,ভালো করার চেষ্টা করুন। দ্বিতীয়ত, সম্ভব হলে ভলেন্টিয়ারিং কার্যক্রমের সাথে সংশ্লিষ্টতা বৃদ্ধি করুন। এই সকল সহশিক্ষা কার্যক্রম আপনাকে বাইরের দেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে অন্যদের তুলনায় একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সাহায্য করবে। কারণ আপনার একাডেমিক রেজাল্ট ভালো হলে আপনার স্কলারশিপ পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।
আপনার পরবর্তী ধাপ হলো, ইংরেজিতে দক্ষতা যাচাই করুন। আপনার যদি টার্গেট থাকে পৃথিবীর উন্নয়নশীল এবং শান্তিপূর্ণ দেশগুলোতে যাওয়ার তাহলে আপনাকে অবশ্যই ইংরেজি দক্ষতা যাচাই পরীক্ষার জন্য ভালো স্কোর অর্জন করতে হবে। বর্তমানে।এজন্য IELTS,MOI, OIETC,PTE,DUOLINGO ইত্যাদি পরীক্ষা দিয়ে স্কোর অর্জন করুন।
বিদেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে লেটার অফ রিকমেন্ডেশনকে বেশ গুরুত্বের সাথে দেখা হয়। মূলত আপনার সম্পর্কে জানে, আপনাকে ভালো চিনে এমন ২ থেকে ৩ জন ব্যক্তির কাছ থেকে রিকোমেন্ডেশন আপনার প্রয়োজন হবে। সেক্ষেত্রে শিক্ষক, কোন মেন্টর, কোথাও জব করলে সেক্ষেত্রে উচ্চপদস্থ ব্যক্তিবর্গের কাছ থেকে আপনি রিকমেন্ডেশন লেটার নিতে পারেন।
দেশ বাছাই করুন।দেশ বাছাইয়ের ক্ষেত্রে আপনাকে যেসব বিষয় মাথায় রাখতেহবে- পড়াশোনার খরচ, টিউশন ফি, একোমোডেশন ফি, ইত্যাদি খরচসমূহ বিবেচনায় নিয়ে আপনাকে একটি দেশ সিলেক্ট করতে হবে।
আর স্পনসর এর ক্ষেত্রে,যিনি স্পন্সর হবেন, তিনি যদি আপনার পরিবারের পিতৃ বা মাতৃকূলে রক্ত সম্পর্কীয় কেউ না হন, তাহলে অযথাই কোনো তৃতীয় ব্যক্তির কাগজপত্র জমা দিয়ে ভিসার জন্য আবেদন করবেন না। এতে বিপদের সম্মুখীন হতে পারেন।
যদিও বা কোনো দেশের অ্যাকসেপ্টেন্স লেটার পেলেন এবং পরবর্তী টিউশন ফির নামে মোটা অঙ্কের টাকা দেশের বাইরে পাঠানোর আগে ভালো করে চিন্তা করে নেবেন। যত সহজে টাকা পাঠানো যায়, তত সহজে ফেরত পাওয়া যায় না।